,

প্রাথমিকে বৃত্তি পাচ্ছে সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী

ডেক্স নিউজ: চলতি বছর প্রাথমিকে বৃত্তি পাচ্ছে সাড়ে ৮২ হাজার শিক্ষার্থী। ২০১৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এ তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
মেধা কোটায় (টেলেন্টপুল) বৃত্তি পাচ্ছে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। সাধারণ কোটায় পাচ্ছে সাড়ে ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী। 
প্রাথমিক বৃত্তির ফল আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বৃত্তির ফল প্রকাশ করবেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিকের ফলের সঙ্গে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বৃত্তির ফলও প্রকাশ করা হবে। এর আগে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর প্রাথমিক-ইবতেদায়ির সঙ্গে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। তবে জেএসডি ও জেডিসি পরীক্ষার বৃত্তির ফল প্রকাশের তারিখ ঠিক করতে পারেনি মন্ত্রলণালয়।
মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, এ বছর পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ফলের ওপর ভিত্তি করে ৮২ হাজার পাঁচশ জনকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে মেধা কোটায় (টেলেন্টপুল) বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। সাধারণ কোটায় বৃত্তি পাবে সাড়ে ৪৯ হাজার শিক্ষার্থী।
মেধা কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি মাসে তিনশ টাকা পাবে। আর সাধারণ কোটায় ২২৫ টাকা কর দেওয়া হবে। সাধারণ কোটায় ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ছয়টি করে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে তিনজন ছাত্রী ও তিনজন ছাত্র।
এ ছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃত্তি প্রদানের পর অবশিষ্ট বৃত্তি হতে প্রতিটি উপজেলায় বা থানায় দুইজন ছাত্র ও দুই জনছাত্রীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি বিভাগ হতে তিনটি করে ২৪টি সাধারণ বৃত্তি প্রদানের পর চারটি সাধারণ বৃত্তি সংরক্ষণ করা হবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নজরুল ইসলাম খান বলেন, ঝরে পড়া রোধ, শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি, মেধার স্বীকৃতি স্বরূপ, সুষম মেধা বিকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপজেলা ভিত্তিক বৃত্তি প্রদান করা হয়। এর ফলে সব শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারে এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধি পায়।
আগে বিদ্যালয় থেকে প্রথম সারির কিছু সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করত। বাকি শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেত না বলে এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতো।
প্রসঙ্গত, এবছর পিইসিতে ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩২ জন পাস করেছে। ২০১৬ সালের প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ইবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পায় দুই লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ ও ইবতেদায়িতে পাঁচ হাজার ৯৪৮ জন।
২০০৯ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়। পরের বছর ইবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা নেওয়া হয়। উভয় সমাপনী পরীক্ষা চালুর পর আলাদা বৃত্তি পরীক্ষার পরিবর্তে সমাপনীতে অংশগ্রহণকারীদের মেধা তালিকা করে বৃত্তির জন্য নির্বাচিত করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category