,

এই মুহুর্তে রাজনীতি-ধর্ম-গণতন্ত্র-উন্নয়নের জন্য হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দেশে দুর্নীতি-বৈষম্য-দারিদ্র সমস্যা থাকলেও এই মুহুর্তে রাজনীতি-ধর্ম-গণতন্ত্র-উন্নয়নের জন্য হুমকি ও বিপদ হিসাবে দেখা দিয়েছে জঙ্গী সন্ত্রাস। বর্তমান অবস্থায় জঙ্গীসন্ত্রাস নির্মূল বা দমনে সরকারের নেতৃত্বে জনগণ ঐক্যবদ্ধ। তাই চলমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি হচ্ছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। সব কিছুই জঙ্গী দমনের যুদ্ধের চশমা দিয়ে দেখতে হবে। এ যুদ্ধের ভেতরেই রাজনীতির দুই অংক হলো- সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন করতে হবে; যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, আগুনসন্ত্রাসীদের বিচার করতে হবে অপরটি সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দারিদ্র-বৈষম্য-দলবাজী-দুর্নীতি অবসানে পদক্ষেপ নিতে হবে।

এবারের রাজনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বাংলাদেশকে চিরদিনের জন্য জঙ্গীমুক্ত করা। বাংলাদেশ যাতে আর কোনদিন জঙ্গী-রাজাকার সমর্থিত সরকার অথবা সামরিক সরকার আসতে না পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা। ‘রাজনীতিতে একবার মুক্তিযোদ্ধা একবার রাজাকার সমর্থিত সরকার’এ মিউজিক্যাল চেয়ারের খেলা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার জন্য যথাসময়ে নির্বাচন করতে হবে, জঙ্গীসন্ত্রাস সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে হবে। জঙ্গীসঙ্গীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক, আগুনসন্ত্রাসী ও খুনীদের ভয়ংকর সিন্ডিকেটের প্রধান, পাকিস্তানের নব্য দালাল বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপিকে ক্ষমতা এবং রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে এবং যথাসময়ে নির্বাচনও করতে হবে।

রাজাকার-জঙ্গীর সঙ্গীদের সাথে রাজনীতি ভাগবাটোয়ারার আপোসতত্ত্ব/মিটমাটতত্ত্ব বন্ধ করতে হবে। রাজাকার আর জঙ্গিবাদীরা বাংলাদেশের ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বি নয় এবারই তা চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধারা এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিই রাজনীতির মাঠে থাকবে। রাজাকার আর জঙ্গিরা কখনই যাতে ক্ষমতা আর রাজনীতির প্রতিদ্বন্দ্বি হতে না পারে সে জন্য জঙ্গিসঙ্গীর প্রধান পৃষ্ঠপোষক, আগুনসন্ত্রাসী খুনীদের ভয়ংকর সিন্ডিকেট প্রধান, পাকিস্তানের নব্য দালাল বেগম খালেদা জিয়াসহ অপরাধীদের ছাড় না দিয়ে বিচার করতে হবে।

খালেদা জিয়া-বিএনপি রাজাকার-জঙ্গী-যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে জঙ্গী বিরোধী জাতীয় ঐক্যের বাইরে সচেতন অবস্থান গ্রহণ করেছেন। খালেদা জিয়ার জঙ্গীর পক্ষ নেয়াটা কোন কৌশলগত অবস্থান নয়, বরং তা নীতি-আদর্শিক অবস্থান। কারণ খালেদা জিয়া-বিএনপি ধারাবাহিকভাবে ৭১, ৭৫ ও ২১ আগস্টের খুনীদের পক্ষ নেয়া, রক্ষা করা, জামাত-রাজাকার-হেফাজত-তেঁতুল হুজুর এর সঙ্গে ঐক্য করে পক্ষ নেয়। বর্তমানে জঙ্গীর প্রতি সমর্থন দিয়ে ন্যাক্কারজনক ভূমিকায় রয়েছেন।

২৫ শে মার্চ গণহত্যা দিবস অস্বীকার করে প্রমাণ করেন খালেদা জিয়া পাকিস্তানের নব্য দালাল। আর জঙ্গীরা আগেই নির্মূল হতো, যদি খালেদা জিয়া এদের পৃষ্ঠপোষকতা না করতো। তাই জঙ্গী নির্মূলে খালেদা জিয়া এবং তার সঙ্গীদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

শনিবার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন সেমিনার হলে দলের জাতীয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্যের তিনি এ কথাগুলো বলেন।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category