,

যেভাবে জঙ্গি হয় দম্পতি

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: নগরীর সীতাকুণ্ডের আমিরাবাদের জঙ্গি আস্তানা থেকে গ্রেফতার হওয়া জঙ্গি দম্পতি বোন জামাইয়ের হাত ধরেই জঙ্গিবাদে জড়িয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গোয়েন্দাদের জানিয়েছে জহিরুল ইসলাম জসিম ও রাজিয়া সুলতানা দম্পতি।
তারা জানিয়েছেন, প্রেমতলার জঙ্গি আস্তানায় নিহত জোবায়দা জহিরুলের বোন এবং কামাল বোন জামাই। আর নিহত শিশুটিও তাদের ভাগ্নি। অপর ২ যুবকের সম্পর্কেও তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। জহিরুল-রাজিয়া দম্পতিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পৃথক দুটি মামলায় ১২ দিনের রিমান্ডে নেয় সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ। রিমান্ডে নেয়ার আগে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের কর্মকর্তারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার হওয়া দম্পতির কাছ থেকে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্ট চলছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, তাদের বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষংছড়ির বাইশারি এলাকায়। রাজিয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্য এবং তারা ১৫-২০ বছর ধরে বান্দরবানে বসবাস করছেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বোন জামাই কামাল আনেক আগে থেকেই জঙ্গিবাদের সাথে জড়িত ছিল এবং তার হাত ধরেই তারা জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ে। সে নিজের নামে ভুয়া পরিচয়পত্র তৈরি করে জঙ্গি আস্তানা গড়ার উদ্দেশে বাসা ভাড়া নেয়। সে এই বাসা থেকে শীর্ষস্থানীয় জঙ্গিদের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছিল।
জিজ্ঞাসাবাদে জহিরুল জানায়, কামাল শীর্ষ জঙ্গিদের বাসায় এনে গোপন বৈঠক করত কিন্তু তাদেরকে তেমন কিছু জানানো হতো না। এমনকি কামাল বোমা তৈরির কারিগরও বাসায় নিয়ে আসতো। জিজ্ঞাসাবাদের সময় জহিরুল ও রাজিয়া অনেক কিছু এড়িয়ে কামালের ওপর সব দায় চাপানোর চেষ্টা করে।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category