,

কুর্শায় ভুমি অফিসের আনিছুর রহমানের দোরাত্মা চরমে!

জিয়ারুল ইসলামঃ আনিছুর রহমান, নামটি অতি পরিচিত কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কুর্শা ও ছাতিয়ান ইউনিয়ন এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। আনিছুর রহমান পেশায় সরকারী কর্মচারী। তিনি উপজেলার কুর্শা ইউনিয়ন ভ’মি অফিসের ভ’মি সহকারী কর্মকর্তা। এলাকাবাসী তাকে ভ’মির রাজপুত্র বলেই জানে। সরকার যখন জনগনের দোরগোড়াায় সরকারী সেবা পৌছে দেওয়ার ব্রতে ব্যস্ত তখন এই ভ’মি অফিসের রাজপুত্রের কাছে জনগন তুচ্ছতাচ্ছিল্য। কুর্শা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আসা জনগনকে সরকারী সেবা পেতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। এখানকার ভ’মি অফিসে আসতে হলে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে আসতে হবে, এমন ধারনা এলাকাবাসীর। সাধারন জনগনের ধারনা ভ’মি অফিসের সেবা পাওয়া মানে ঈদের চাঁদ হাতে পাওয়া। সেবা পাওয়া ছাতিয়ান ইউনিয়ন পরিষদ’র ৯ নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য আব্দুর রশিদ জানান, আমি ভ’মি অফিসে খাজনা দেওয়ার জন্য গিয়েছিলাম। সেখানে কর্মরত ভ’মি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান আমার জমির কাগজ দেখার পর আমাকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানায়। সেখানে অনেক কথা কাটাকাটির পর আমার সাথে ৯ হাজার টাকায় কাজ করে দেবে বলে জানায়। আমি ৯ হাজার টাকা দিয়ে বাড়িতে তার দেওয়া দাখিলা নিয়ে আসি। বাড়িতে এসে দেখি দাখিলাতে উল্লেখ্য আছে মাত্র ৪৫০ টাকা। আমারতো মাথায় হাত পরে গেল। ভাবলাম আমি একজন নির্বাচিত জন প্রতিনিধি, আমার সাথে যদি কোন সরকারী কর্মকর্তা এধরনের আচরন করে, তবে অনান্য সাধরন জনগনের ক্ষেত্রে তাদের অবস্থা কি হবে। এধরনের অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া যায় ভ’মি অফিসের এই রাজপুত্রের বিরুদ্ধে। ভ’ক্তভোগি জনগনের দাবি এই রাজপুত্রের অভিযোগগুলো বিশেষভাবে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য।
তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বিকার করে এই ভ’মি কর্মকর্তা জানান, আমি আঃ রশিদ মেম্বারকে ৯টি দাখিলা দিয়েছি যার বিপরীতে ১৮০০ টাকা নিয়েছি যেটা দাখিলাতে উল্লেখ আছে। তবে দাখিলা খতিয়ে দেখা যায়, সেখানে উল্লেখ্য আছে মাত্র ৪৬৭ টাকা।

এব্যাপারে মিরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভ’মি সূর্বণা রানী সাহা জানান, অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেলে ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category