,

ভেড়ামারার যুবকের টাঙ্গাইল কবরস্থানে দাফন

ভেড়ামারা প্রতিনিধিঃ গত ৫ ফ্রেব্র“য়ারী দুপুরে স্বপনের প্রবাসী বন্ধু শাহাজাহাকে ঢাকা বিমানবন্দরে আনতে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় অপর এক বন্ধু রুবেল। তারপর থেকেই স্বপনের কোন প্রকার সন্ধান না পাওয়ায় গত ০৮/০২/২০০৭ ইং তারিখে তার পিতা সামসুল হক এই সংক্রান্ত ভেড়ামারা থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করে। ভেড়ামারা থানা পুলিশ স্বপনের ব্যবহৃত মোবাইল সিম নাম্বার ট্রাকিং করে দেখতে পায়, সর্বশেষ টাঙ্গাইল জেলার সদর থানা এলাকায় ব্যবহৃত হয় নিখোঁজ স্বপনের ০১৭৩৯৭২৬০১৯ এই সিম নাম্বারটি। এরই সুত্র ধরে স্বপনের পরিবার টাঙ্গাইল সদর থানায় গেলে পুলিশ জানায়, গত ০৮/০২/২০১৭ ইং তারিখে একটি অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ বেওয়ারিশ হিসাবে টাঙ্গাইল সদর গোরস্থানে দাফন হয়েছে। থানার সুত্রধরে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে স্বপনের আত্মীয়-স্বজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিকট যায়। সেখানে সংরক্ষন রাখা ছিল অজ্ঞাতনামা যুবুকের লাশের ছবি। সেই লাশের ছবি দেখেই স্বপনের পরিবার শনাক্ত করে স্বপনকে। স্বপন (৩০) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার কৈগাড়ীপাড়া এলাকার সামসুল হকের পুত্র। পরিবারের দাবি, স্বপনের শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখে প্রতীয়মান হয় যে, তাকে রক্তাত জখম করে অজ্ঞাত নামক স্থানে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। সেখান থেকে কে বা কাহারা টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করে। ময়না তদন্ত ছাড়াই স্বপনের লাশ টাঙ্গাইলে দাফনের ঘটনায় পরিবারের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার এএসআই লাকী খানম জানান, লাশের শরীরের আঘাতের চিহ্ন দেখে নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না এটা সড়ক দূর্ঘটনা নাকি পরিকল্পিত হত্যা করা হয়েছে ।
ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ নুর হোসেন খন্দকার জানিয়েছেন, গত ০৮/০২/২০১৭ ইং তারিখে অত্র থানায় ৩৪২ জিডির সুত্র ধরে নিখোঁজ স্বপনের মোবাইল ট্রাকিং করা হয়। তিনি আরোও জানান, সড়ক দূর্ঘটনা বা আঘাতজনিত কারনে মৃত্যু যেটাই হোক না কেন ময়না তদন্ত রিপোর্টের পর সেটা নিশ্চিত হওয়া যায়। এ সংক্রান্ত মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে ময়না তদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করাটা অনুচিত। বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি স্বাপেক্ষে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করা যেতে পারে।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category