,

আইনি জটিলতায় পরীক্ষা দিতে পারেননি এসএসসি পরীক্ষার্থী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ বিলম্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছাঁনোর কারণে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ পারেনি কুলাউড়ার পরীক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি পরীক্ষার শুরু হওয়ার ৫০ মিনিট পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ায় আইনি কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি ওই শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীর বাবা লোকমান হোসেন জানান, আমার মেয়ে (কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার (রোল নং ৫০৫৯৫৯) গত বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার আগ মুহূর্তে আমার বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এ কারণে তাকে কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার পর বিলম্ব সময়ে নবীন চন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পৌছাঁর কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি।তবে কেন্দ্রের সচিব আমির হোসেন বোর্ডে যোগাযোগ করে জানান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা সে। পরে আমি উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা সাথে যোগযোগ করি।

এ ব্যাপারে কেন্দ্র সচিব আমির হোসেন বলেন, অবজেক্টটিব পরীক্ষার নির্ধারিত ২৫ মিনিট। শিক্ষার্থী কেন্দ্রে ৫০ মিনিট দেরিতে আসলে আমি পরিক্ষার্থীর বাবার সামনে সিলেট বোর্ডে ডেপুটি কন্টলারে সাথে যোগাযোগ করে তাকে পরীক্ষার সুযোগ করে দেবার চেষ্টা করেছি। তবে বোর্ডের অনুমতি না পাওয়ায় তার পরীক্ষা নিতে পারিনি।

কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন জানান, ওই শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় দেরিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়। আইনি বাধ্যবাধকতায় ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সুযোগ না থাকলেও মানবিক দিক দিয়ে বিবেচনা করা উচিত ছিলো।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী র্কমকর্তা চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বি জানান, কেন্দ্রে দেরিতে উপস্থিত হওয়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। কেন্দ্র সচিব মো. আমির হোসেন আইনিভাবে স্বচ্ছ ছিলেন।

বিলম্বে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌছাঁনোর কারণে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ পারেনি কুলাউড়ার পরীক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি পরীক্ষার শুরু হওয়ার ৫০ মিনিট পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ায় আইনি কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি ওই শিক্ষার্থী।

শিক্ষার্থীর বাবা লোকমান হোসেন জানান, আমার মেয়ে (কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার (রোল নং ৫০৫৯৫৯) গত বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার আগ মুহূর্তে আমার বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এ কারণে তাকে কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার পর বিলম্ব সময়ে নবীন চন্দ্র মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পৌছাঁর কারণে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হয়নি।তবে কেন্দ্রের সচিব আমির হোসেন বোর্ডে যোগাযোগ করে জানান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা সে। পরে আমি উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তা সাথে যোগযোগ করি।

এ ব্যাপারে কেন্দ্র সচিব আমির হোসেন বলেন, অবজেক্টটিব পরীক্ষার নির্ধারিত ২৫ মিনিট। শিক্ষার্থী কেন্দ্রে ৫০ মিনিট দেরিতে আসলে আমি পরিক্ষার্থীর বাবার সামনে সিলেট বোর্ডে ডেপুটি কন্টলারে সাথে যোগাযোগ করে তাকে পরীক্ষার সুযোগ করে দেবার চেষ্টা করেছি। তবে বোর্ডের অনুমতি না পাওয়ায় তার পরীক্ষা নিতে পারিনি।

কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মতিন জানান, ওই শিক্ষার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় দেরিতে কেন্দ্রে উপস্থিত হয়। আইনি বাধ্যবাধকতায় ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ সুযোগ না থাকলেও মানবিক দিক দিয়ে বিবেচনা করা উচিত ছিলো।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী র্কমকর্তা চৌধুরী মো. গোলাম রাব্বি জানান, কেন্দ্রে দেরিতে উপস্থিত হওয়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। কেন্দ্র সচিব মো. আমির হোসেন আইনিভাবে স্বচ্ছ ছিলেন।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category