,

‘ভালোবাসা দিবসে রেস্টুরেন্টে ……

নিজস্ব প্রতিবেদক : এবার ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবসকে স্মরণীয় করে রাখতে বাসার বাইরে রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করার পরিকল্পনা করেছেন তরুণ তরুণীরা।

মাস্টারর্কাড পরিচালিত সর্বশেষ ‘কনজ্যুমার পারচেজিং প্রায়োরিটিজ সার্ভে’ শীর্ষক এক জরিপে এই অভিমতই উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়াদের ৪৮ শতাংশ রেস্তোরাঁয় খাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের কনজ্যুমার বা ভোক্তাদের ৪৪ শতাংশই প্রিয়জন বা ভালোবাসার মানুষকে কোনো গিফট বা উপহার দিয়ে সারপ্রাইজ বা চমকে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। অবশ্য চীনের নাগরিকরাই ভালোবাসা দেখানোর প্রবণতা ও আধিক্যে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন থাইল্যান্ডের মানুষ। তাদের ৭৪ শতাংশই ভালোবাসার মানুষকে উপহার দেয়ার পরিকল্পনা করে রেখেছেন।

অর্থের হিসেবে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসারগীয় অঞ্চলের মানুষ ভালোবাসা দিবস বা ভ্যালেন্টাইন ডে’তে নিজেদের ভালোবাসার মানুষের জন্য উপহার কিনতে গড়ে ৭১ মার্কিন ডলার করে ব্যয় করবেন। এক্ষেত্রেও অন্য সব দেশ থেকে চীনারা এগিয়ে আছে। তারা উপহার কেনার জন্য গড়ে ২৩২ ডলার করে ব্যয় করবে। খরচ করার বিষয়ে চীনের পরেই অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হংকং। সেই দেশের লোকজন গড়ে ১৭০ ডলার করে ব্যয় করবেন উপহার কেনার জন্য। তৃতীয় স্থানে থাকা তাইওয়ানের নাগরিকেরা ব্যয় করবেন গড়ে ১৪৭ ডলার করে।

এশিয়া ও প্যাসিফিক বা প্রশান্ত মহাসারগীয় অঞ্চলে ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবসে উপহার কেনার ক্ষেত্রে নারীদের চেয়ে অবশ্য পুরুষেরা এগিয়ে। উপহার কেনার জন্য এই অঞ্চলের নারীদের চেয়ে পুরুষরা ২৫ শতাংশ বেশি অর্থ খরচ করবেন।

জরিপে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী গোটা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগারীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে ভ্যালেন্টাইন ডে গিফট বা ভালোবাসা দিবসের উপহার কেনার ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীদের পছন্দের বেশ তফাৎ দৃশ্যমান।

মাস্টারকার্ডের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগারীয় অঞ্চলের কমিউনিকেশন্স বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট গিওর্গেত্তে ত্যান (এবড়ৎমবঃঃব ঞধহ) এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’তে নিজেদের ভালোবাসা প্রকাশে বা ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগারীয় অঞ্চলের মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে প্রিয়জনকে ফুল উপহার দিতে ও বাইরে গিয়ে খেতে পছন্দ করেন। বিশ্বজুড়ে এখন সব সংস্কৃতিতেই ভ্যালেন্টাইন ডে উদযাপনের প্রবণতা বাড়ছে এবং এ দিবসটি ক্রমান্বয়ে সবচেয়ে বেশি অর্থ খরচ করার উৎসবে পরিণত হচ্ছে। সব বয়সের গ্রাহকরাই এই বিশেষ দিবসটিতে আনন্দ উদযাপনে একাগ্র থাকেন।’

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category