,

জৈবসারের ১৫ ভাগ উৎপাদন বৃদ্ধি সম্ভব

রংপুর প্রতিনিধি: ভূমির উর্বরতা ধরে রাখাসহ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে কম্পোস্ট, ভার্মি কম্পোস্ট ও সবুজ সার ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে ও ১৫ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, জমির উর্বরতা রক্ষায় ও ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে জৈব সার ও সবুজ সারের চাহিদা কৃষকদের কাছে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ইতিমধ্যে একটি বাড়ি ও একটি খামার ও অন্যান্য প্রকল্পের অধীনে বসতবাড়িতে জৈব সার উৎপাদনের মাধ্যমে রংপুর কৃষি অঞ্চলের শত শত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যান বিশেষজ্ঞ খন্দকার মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেন, জৈব ও কম্পোস্ট সার ব্যবহারে পরিবেশের উন্নতিসহ ফসলের ১৫ শতাংশ উৎপাদন বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘রংপুর কৃষি অঞ্চলের আওতায় পাঁচ জেলায় জৈব সারের উৎপাদন বাড়ছে। এবং কৃষকরা বিভিন্ন প্রকার কম্পোস্ট সার প্রস্তুত করতে ৭২ হাজারের ও বেশি গর্ত তৈরি করছেন।’

আন্তর্জাতিক ভুট্টা ও গম উন্নয়ন কেন্দ্রের দিনাজপুর হাবের কৃষিবিদ আনারুল হক বলেন, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে যদি কৃষিপ্রযুক্তি অনুসরণের মাধ্যমে রাসায়নিক ও কম্পোস্ট সার ব্যবহারের ভারসাম্য নিশ্চিত করা যায়।

আরডিআরএস বাংলাদেশ’র কৃষি ও পরিবেশ সমন্বয়ক মামুনুর রশিদ বলেন, জৈব, কম্পোস্ট ও সবুজ সার কবর, কাঠের ধুলো, খইল, বিভিন্ন প্রকার বর্জ পদার্থ দ্বারা তৈরি করা হয়।

ক্ষুদ্র, প্রান্তিক, দরিদ্র ও ভূমিহীন কৃষকরা একটি বাড়ি, একটি খামার প্রকল্পের আওতায় ভিটেবাড়িতে সার উৎপাদনের মাধ্যমে ভাল লাভ করছেন এবং তারা সারা বছর ধরে এসব সার কৃষকদের মাঝে বিক্রি করছেন।

বাংলাদেশ চাল গবেষনা ইনস্টিটিউটের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এম এ মজিদ বলেন, রাসায়নিক সার ও কিটনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জৈব ও কম্পোস্ট সারের ব্যবহার বাড়ানোর ব্যাপারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা যায়।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category