,

গণশুনানিতে পুলিশের বিরুদ্ধেই ১৫ অভিযোগ

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা পেতে গিয়ে হয়রারি শিকার এমন ঘটনা নিয়ে বুধবার গণশুনানি হয়েছে। শুনানিতে জনগণের ৪৪টি অভিযোগের মধ্যে ১৫টিই ছিল পুলিশের বিরুদ্ধে।

তবে বেশিরভাগ অভিযোগের ঘটনা আদালতে বিচারাধীন থাকায় কোনো সিদ্ধান্ত দেননি দুর্নীতি দমন কমিশনার (তদন্ত) এএফএম আমিনুল ইসলাম।

দুর্নীতি দমন কমিশন ও দুনীতি প্রতিরোধ কমিটি যশোর জিলা স্কুলে এ গণশুনানির আয়োজন করে। এ শুনানি থেকে দুদক কমিশনার যশোরের সব সরকারি দপ্তরের দালাল প্রতিরোধে নোটিশ বোর্ডে কর্মকর্তা কর্মচারীদের পরিচয় মোবাইল নম্বর, কাজ ও সেবা প্রাপ্তির স্থান উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

এএফএম আমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্নীতিকারীদের চিহ্নিত করতে জনগণকে সোচ্চার হতে হবে। জনগণকে তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের হটলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ দেয়া যাবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগের শাস্তির হার বেড়েছে। নয় মাস আগে অভিযোগের শাস্তির হার ছিল ৩৭ শতাংশ। বর্তমানে ৫৫ শতাংশ অভিযোগের শাস্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। শাস্তির হার শতভাগ নিশ্চিত করার জন্য দুদক কাজ করছে।

গণশুনানি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, দুদক প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক (প্রতিরোধ) কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ড. আবুল হাসান, যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি যশোর শাখার সাধারণ সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, সদস্য জাহিদ হাসান টুকুন।

গণশুনানিতে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবীর। ৪৪জন সেবাগ্রহীতা জেলা পুলিশ, কোতোয়ালি থানা, সমাজসেবা অধিদফতর, শিক্ষা অফিস, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়ে উত্তর দেন সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিরা।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category