,

হামলার আশঙ্কায় গুলি ছুড়েছিলেন ভেড়ামারার পৌর মেয়র

ভেড়ামারা প্রতিনিধি: সরকারি বিধি অমান্য করে ভাতিজির বিয়েতে শর্টগানের গুলি ছুড়ে উল্লাস ও পিস্তল প্রদর্শনের ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কারণ দর্শানো নেটিশের জবাব দিয়েছেন ভেড়ামারা পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম ছানা।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারী) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কাছে সশরীরে গিয়ে লিখিত জবাব দেন পৌর মেয়র।

লিখিত জবাবে মেয়র বলেন, ‘আমি একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। প্রতিপক্ষরা আমাকে বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকি দেয়। গত ইউপি নির্বাচনের পর থেকে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছি। আগে থেকেই সংবাদ ছিল আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা হতে পারে। সে কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানে আনন্দ উদযাপনের নামে গুলি ছুড়েছি। এখানে আতঙ্কের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’
গুলি ছোড়ার আগে অনুমতি নিতে হয়, এটি আমার জানা ছিল না। এ ধরনের ভুল আর হবে না উল্লেখ করে তিনি শেষবারের মতো ক্ষমা করে দেয়ার অনুরোধ করেন।

মেয়র জবাবে আরও লিখেছেন, ঘটনার পরের দিন তিনি ভেড়ামারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

বিধিবর্হিভূত অস্ত্র ব্যবহার করায় গত সপ্তাহে ‘কেন তার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হবে না’ জানতে চেয়ে এক সপ্তাহের সময়ের জন্য মেয়রকে শোকজ করেছিলেন কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক জহির রায়হান। এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে মেয়র সশরীরে গিয়ে শোকজের লিখিত জবাব দিয়েছেন।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান জানান, শোকজের জবাব দিয়েছেন ভেড়ামারা পৌর মেয়র শামীমুল ইসলাম ছানা। তিনি হামলার আশঙ্কা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে বিয়ের অনুষ্ঠানে গুলি ছুড়েছেন বলে জবাবে উল্লেখ করেছেন।

অনুমতির নেয়ার বিষয়টি মেয়রের জানা ছিল না উল্লেখ করে শেষবারের মতো ক্ষমা করে দেয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুরোধ করেছেন। শোকজের জবাব পর্যলোচনা করে দুই একদিনের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ১০ জানুয়ারি ভাতিজির বিয়ের অনুষ্ঠানে শর্টগানের গুলি ছুড়ে দেশব্যাপী সমালোচিত ভেড়ামারা পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমুল ইসলাম ছানা। গুলি ছোড়ার এ দৃশ্য ফেসবুক লাইভে দেখানো হয়। মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category