,

বারি-১৪ জাতের সরিষা কৃষকের আশীর্বাদ

যশোর প্রতিনিধি: তেল জাতীয় ফসল চাষে কৃষকের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে বারি-১৪ জাতের সরিষা। যশোরের বাঘারপাড়ায় চলতি মৌসুমে সরিষা চাষের প্রায় নব্বই শতাংশই বারি-১৪ জাতের সরিষা চাষ হয়েছে।

এ সরিষার প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে সময় কম লাগে। ফলনও অন্য জাতের তুলনায় বেশি। কর্তনের পর সহজেই বোরো চাষ করা যায়। এসব কারণে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এ জাতের সরিষা।

যশোরের বাঘাড়পাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের দয়ারামপুর গ্রামের কৃষক সাহেব আলী বলেন, এক সময় ব্যাপক জনপ্রিয় ছিল টরি-৭ জাতের সরিষা। তার বদলে এখন কৃষক বারি-১৪ জাতের সরিষা চাষ করছেন। টরি-৭ জাতের সরিষা চাষে প্রায় ১০ দিন সময় বেশি লাগে। ফলে বারি-১৪ জাত চাষ করলে বোরো আবাদে কোন সমস্যা হয়না। ফলনও দেড়গুণ বেশি। তেলের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেশি। বারি-১৪ জাতের সরিষা কৃষকের আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। এ বছর ৫০ শতক জমিতে চাষ করেছি। ভালো ফলন হবে বলে আশা করছি।

একই গ্রামের কৃষক নাজিম উদ্দীন বলেন, গত বছর ২০ শতক জমিতে বারি-১৪ জাতের সরিষা ছিল। প্রায় ৪ মণ সরিষা হয়েছিল। এ বছর ৪০ শতক জমিতে চাষ করেছি।

বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষকের মাঠে চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড এ জাতটি ২০০৬ সালে অনুমোদন দেয়। কৃষক পর্যায়ে আসে ২০১২ সালে। সল্প মেয়াদি, উচ্চ ফলনশীল জাত বলেই আমনের পর সহজেই চাষ করা যায়। এ জাতটির জীবনকাল ৭৫ থেকে ৮০ দিন। যে কারণে সহজেই একই জমিতে বোরো আবাদ করা যায়। ফলন হেক্টর প্রতি ১৪শ’ থেকে ১৬শ’ কেজি। তেলের পরিমাণ বেশি। ফলে দিনদিন মাঠ পর্যায়ে এ জাতটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category