,

৫ জানুয়ারি: চট্টগ্রামে গরম রাজনৈতিক মাঠ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারি। শুধুমাত্র রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয় বরং নানা কারণে দিনটি দেশজুড়েই অলোচিত। আর এই দিনটি ঘিরে সরব হচ্ছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের রাজনৈতিক মাঠ। দিনটি পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি।  

দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ পালন করবে আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে বিএনপি প্রস্তুত ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালনের জন্য। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগর আওয়ামী লীগ সমাবেশের অনুমতি পেয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাবেশের অনুমতি মেলেনি নগর বিএনপি’র।    

৫ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ সমাবেশের মাধ্যমে ব্যাপক জনসমাগম করতে চায় দলটি। নগরীর প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, শ্রমিক লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সরকারের সফলতা এবং উন্নয়ন চিত্র সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশে যোগদান করতে দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ আখ্যা দিয়ে নগরীতে সমাবেশ করতে নগরীর লালদীঘি, কাজীর দেউড়ি মোড় এবং দলীয় কার্যালয়ের সামনের নূর আহম্মদ সড়ক- তিনটি পৃথক স্থানের যেকোনো একটিতে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে আবেদন করেছে নগর বিএনপি। তবে বুধবার সকাল ১২টা পর্যন্ত কোথাও অনুমতি পায়নি দলটি। অনুমতি না পেলেও যে কোনো মূল্যে দিবসটি পালন করার সিদ্ধান্ত নিযেছে নগর বিএনপি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ভোটার বিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে বর্তমান অবৈধ সরকার দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এই দিনটিতে আমরা আশা করছি প্রশাসন আমাদের সাথে গণতান্ত্রিক আচরণ করবে। তবে যেভাবেই হোক আমরা দিনটি পালন করব। সমাবেশের অনুমতি পেলে ব্যাপক জনসমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।  

অনুমতি দেয়া হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (মিডিয়া) আনোয়ার হোসেন বলেন, এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিন্ধান্ত হলে বলা যাবে অনুমতি পাবে নাকি পাবে না।

নগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক সফিকুল ইসলাম ফারুক বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। তাই দিনটিকে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে আমরা পালন করব। সকল ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে পুলিশ সূত্র জানায়, বড় এ দুই দলের সমাবেশকে ঘিরে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে নগর পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যপক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category