,

রাবি শেষ ইবি কবে?

ষ্টাফ রিপোর্টার: রুয়েট ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সম্মেলন ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ইসলামী বিশ্ববিদ্যায় ছাত্রলীগের সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হবে? এই প্রশ্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রত্যেকটি নেতাকর্মীর মনে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একবছর মেয়াদী কমিটি ইতোমধ্যেই দুই বছর পার করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটিতে দিনদিন বেড়েই চলছে অছাত্র বিবাহিতদের মিছিল। নতুন কমিটিতে যারা পদপ্রত্যাশী সময় ক্ষেপণের জন্য আবার তাদের অনেকেই অছাত্র হতে বসেছেন।

রুয়েট, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবির হল সম্মেলনের পরেও ইবি ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা না হওয়ায় পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের মাঝে বাড়ছে ক্ষোভ ও হতাশা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর এক বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন দেন তৎকালীন কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম। কিন্তু এক বছর মেয়াদী কমিটি দুই বছর পার করার পরেও নতুন কমিটির জন্য সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন নেতাকর্মীরা।

বর্তমানে ১৩৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির এক ডজনেরও বেশি নেতা বিবাহিত। ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত কোর্স শেষ করেছেন অর্ধশতাধিক নেতা। যেসব নেতাকর্মী নতুন কমিটির পদ প্রত্যাশী সময়ের সঙ্গে তারাও অছাত্রের দলে ভীড়ছেন। আবার অনেকে ছাত্রত্ব টিকিয়ে রাখতে পরীক্ষায় অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকছেন। এতে দলের সব পর্যায়ের নেতা কর্মীদেও মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না হওয়ায় বর্তমান কমিটির নেতারা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলে দীর্ঘদিন থেকেই অভিযোগ করছেন দলের কর্মীরা।

এ ব্যাপরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজু বলেন, বর্তমান কমিটি অনেক আগেই মেয়াদ পূর্ণ করেছে। এখন নতুনদের যায়গা করে দেয়ার জন্য আমাদের উচিত যায়গা ছেড়ে দেওয়া। এছাড়া এই কমিটির অনেকেই বিবাহিত, অছাত্র। আমি নিজেও বিবাহিত।

যেকোনো কমিটি বেশি দিন স্থায়ী হলে দলীয় বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। আমাদের এখানে দলীয় বিশৃঙ্খলা এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। দলের স্বার্থে এবং দলীয় ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতে যত দ্রুত সম্ভব নতুন কমিটি আবশ্যক।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জামিলুর রেজা চৌধুরী সেলিম  বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বর্তমান কমিটি নেতৃত্বে থাকায় এখন অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে। ১৩৯ সদস্যের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি থাকলেও মিছিল মিটিংয়ে নেতাকর্মী মিলিয়ে ১৩৯ জনই উপস্থিত হয় না।  দলীয় কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা বাড়াতে নতুন নেতৃত্ব জরুরী।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অমিত কুমার দাস বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা অনুযায়ী আমারা যেকোনো সময় সম্মেলন দিতে প্রস্তুত আছি।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসাইন এ বিষয়ে বলেন, আমরা এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যায়গুলোতে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেওয়ার কাজ শুরু করেছি। অতিসত্বর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেয়া হবে।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category