,

রক্ত পিয়াসী নারীর গল্প!

আর্ন্তজাতিক ডেক্স: পৃথিবীজুড়ে অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত। রয়েছে হাজারো রুচি-চিন্তা-মতবাদের মানুষ। আজকে তেমনই এক ভিন্ন রুচির মানুষ সম্পর্কে জানবো। একটা সময় শোনা যেত রক্ত পান করা ভ্যাম্পায়ারদের কথা। বিজ্ঞানের এ যুগেও কি ভ্যাম্পায়ার আছে? এ প্রশ্নের উত্তরে এক অস্ট্রেলিয় নারীর নাম সামনে এসে যায়। যিনি নিজের রক্ত নিজেই পান করেন। মধ্যবয়সী এই নারীর নাম জর্জিনা কন্ডন।

তিনি কিন্তু কখনও ভ্যাম্পায়ার বা পৈশাচিক কোনো কিছুর সঙ্গে নিজের তুলনা করেন না। নিজেকে দেবী বলতেই বেশি ভালো লাগে তার। যখন তিনি থাকেন তার দৈব সত্তায় তখন তার নাম এসথার। গডেস এসথার। এই দেবীকে বলা হয় নবজীবনের দেবী। জর্জিনা কন্ডনের এই রক্ত পানের ঘটনাটির সঙ্গে নতুন জীবন লাভের একটা সাদৃশ্য রয়েছে।

ডেইলি মেইলের খবর অনুযায়ী জর্জিনা খুব ছোটবেলা থেকেই রক্ত স্বল্পতায় ভুগছিলেন। চিকিৎসাও করিয়েছেন। এরপর থেকে নিজের রক্ত পান করে মানসিক শান্তি পান তিনি। কখনও সুঁই দিয়ে শিরা থেকে রক্ত বের করেন তিনি, আবার কখনও নিজেকে আহত করে রক্ত বের করে তারপর পান করেন।

জর্জিনা জানান, তিনি খুব ছোটবেলা থেকেই রক্ত পানের নেশায় জড়ান। বর্তমান জনপ্রিয় সিনেমা যেমন টোয়ালাইট, ড্রাকুলা বা অন্যান্য সিরিজগুলোর প্রতি আকর্ষণ থেকে তিনি এই অদ্ভুত কাণ্ড শুরু করেননি। বরং তার রক্ত পানের নেশা এসব সিনেমার অনেক আগে থেকেই। মাত্র বারো বছর বয়স থেকে তার রক্ত পান শুরু।

তবে সবসময় চাইলেও যে রক্ত পান করতে পারেন এমন নয়। কারণ রক্ত স্বল্পতার অন্যতম লক্ষণ শরীরে রক্তের অভাব। জর্জিনা যখন গথিক আন্ডারগ্রাউন্ড ক্লাবে যান, তখন অনেকেই নাকি তার জন্য রক্ত উৎসর্গ করতে চেয়েছেন। কিন্তু তিনি অন্য কারও রক্ত পান করেন না।

মজার ব্যাপার হলো, তিনি জীবনসঙ্গী হিসেবে একজন ব্লাড ডোনার বা রক্তদাতা জুটিয়ে নিয়েছেন। জামিল নামের পুরুষ সঙ্গী জর্জিনার প্রেমে পরেন যখন জানেন যে, এই রক্ত পানকারী নারী রক্ত বের করার জন্য ছুরি ব্যবহার করতে ভয় পান। সত্যি কত অদ্ভুত এই মানব চরিত্র।

সুত্র: ডেইলি মেইল

 

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category