,

জামায়াত নেতার ভাতিজার হুশিয়ারী?

গোলাম কিরবিয়া মাসুমঃ কুষ্টিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াত-শিবিরের সক্রিয় সদস্য সম্প্রতি বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ  হয়ে এলাকায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
সে মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ানের বেশী নগর গ্রামের হাবিবুর রহমান হাবি’র ছেলে আব্দুস সালাম।
পারিবারিকভাবে জামায়াত ও শিবির পরিবার হওয়ার কারনে এই বিষয়টি নিয়ে এলাকার সরকার সমর্থিত স্থানীয় নেতাদের মধ্যে বিরুপ মন্তব্যের সৃষ্টি হয়েছে।
কিভাবে পাক ও মুক্তিযোদ্ধার অপশক্তি পরিবারের সন্তান সরকারের গুরুত্বপূর্ন পদে চাকুরি করতে পারে এমনই প্রশ্ন তাদের মধ্যে।
জানা যায়, এলাকার জামায়াতের রোকন জসিম উদ্দিনের ভাই হাবিবুর রহমান হাবি জামায়াতের সক্রিয় একজন নেতা। তারই ছেলে আব্দুস সালাম, সে ২০০৮-২০০৯ সেশনে ইবিতে অর্থনীতি বিভাগে ভর্তি হয়। এর পর থেকে বাপ চাচারবন্ধনে জড়িয়ে পড়ে শিবিরের সাথে। ইবিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় মারধর, ককটেল বিস্ফরন ও হল ভাংচুর সহ সকল নাশকতা এবং অপকর্মের নেতৃত্ব  দিয়ে এসেছে তিনি বলে সুত্রটি দাবী করেছে।
সফল নেতৃত্বে কারনে অন্য শিবির সাথী ও সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে একটি কম্পিউটার উপহার দেয় বলে জানা গেছে।
বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তিন্ন হওয়ার পর নিজের বর্তমান ও অতিতের সকল অপকর্ম ঢাকতে ও নিজেকে আওয়ামীলীগের কর্মী প্রমান করতে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনের  নিকট ৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের একটি প্রত্যয়ন নেওয়ার অপচেষ্টা  চালিয়ে ব্যার্থ হয়। পরে চেয়ারম্যানের নিকট থেকে একটি চারিত্রিক সনদ পত্র নেয়।  এদিকে তার  জন্য পুলিশি তদন্ত আসলে স্থানীয় জাসদ নেতা ফজলু জোয়ার্দ্দার, এনামুল হক, খোদা বক্সহ এলাকাবাসী তদন্ত কর্মকর্তার নিকট তার সমস্ত বিষয় তুলে ধরলেও কোন লাভ হয়নি।
তারা মনে করছেন মোটা অংকের অর্থ লেনদেন করে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ অফিসারের মুখে কুলুব এটে দিয়েছে এই কৌশলবাজ আব্দুস সালাম ও তার  পিতা হাবিবুর রহমান হাবি।
এদিকে তার ছোট ভাই সোহেল রানা সেও বর্তমানে ইসলামী ইউনিভার্সিটির শিবিরের সক্রিয় সদস্য।
তাদের বিরুদ্ধে এলাকায় একাধীক নালিশ থাকলেও কোন এক অদৃশ্য কারনে তা বার বার পুলিশের নজর এড়িয়ে গেছে।
নাম পরিচয় গোপন রেখে স্থানীয় এক ব্যাক্তি জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে এলাকাতে আসা যাওয়া নেই আব্দুস সালামের। মাঝে মধ্যেই শোনা যেত সে বাইরে নাশকতা মুলক কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে।
তিনি আরো জানান, তার বাবা হাবিবুর রহমান হাবি উপজেলা নির্বাচনের সময় কামারুল আরেফিনের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ভোট করেছে এবং তাকে এই সেন্টারে ধরাসায়ী করেছিল। এ বিষয়ে আব্দুস সালামের সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি জানান, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে। আমি কখনও শিবির কর্মী ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে কোন নিউজ করবেন না। তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মামলা করে আপনাকে দেখে নেব।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category