,

কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় যুবতীকে পেটালেন জনপ্রতিনিধি!

যশোর প্রতিনিধিঃ কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শিখা খাতুন (২১) নামে এক মেয়েকে গফুর মেম্বার নামে এক জনপ্রতিনিধি মারপিট করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ঝাপা ইউনিয়নের ষোলখাদা গ্রামে। আহত শিখা যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহতের মামা আমিনুর রহমান জানান, তার ভাগ্নি শিখা টিউশনি করে সংসার চালায়। ঝাপা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আব্দুল গফুর প্রায়ই তাকে কুপ্রস্তাব দিতেন। শিখা তাতে রাজি না হওয়ায় গত ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা পৌনে সাতটার দিকে গফুর তাকে জোর করে পাশে কাবুলের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শিখাকে বেধড়ক মারপিট করে আহত করেন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। রাতে অবস্থা খারাপ হলে তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার ইউসুফ আলী জানান, রাত দুইটার দিকে শিখা নামে এক মেয়েকে ভর্তি করা হয়। তার ঘাড় এবং কানের কাছ আঘাতের চিহ্ন আছে। এছাড়া তাকে চাপা মার দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা পার না হলে রোগীর অবস্থা সম্পর্কে কিছুই বলা যাবে না।

মণিরামপুর থানার ওসি বিল্পব কুমার নাথ জানান, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।  তার কাছে অভিযোগ এলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

শুক্রবার বেলা ২টার দিকে যোগাযোগ করা হলে ইউপি সদস্য আব্দুল গফুর বলেন, মেয়েটির কাছে পাশের কোমলপুর এলাকার হাজিরা নামে এক মহিলা ১২ লাখ টাকা পাবেন। সেই টাকা উদ্ধারের তারা মেয়েটিকে আটকে রাখেন। পরে মেয়েটির চাচা ইজাহার তাকে (মেম্বর) মেয়েটিকে ছাড়িয়ে আনতে যাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি সেখানে যান। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে গফুর বলেন, ‘মেয়েটি আমার সম্পর্কে আত্মীয় হয়। তাই তাকে ওখান থেকে ছাড়িয়ে আনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। হয়তো যারা টাকা পাবেন- তারা মারধর করে থাকতে পারেন।’ আপনার বিরুদ্ধে কেন এইসব অভিযোগ করা হচ্ছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আল্লাহই জানেন, কেন তারা এসব করছেন!’
[metaslider id=289]

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category