,

বটতৈল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতির কান্ড !প্রতিবন্ধি স্বামীকে তালাক দেওয়ায়ে স্ত্রীর দেহ ভোগ, সমালোচনার ঝড়?

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার সদর উপজেলার বটতৈল ইউনিয়নের বর্তমান ইউপি আওয়ামীলীগের সভাপতি ডাঃ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধি স্বামীকে তালাক দিয়ে স্ত্রীর দেহ ভোগ করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভুগি ওই নারী। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বটতৈল এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভুক্তভুগি নারীর লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, বটতৈল এলাকার স্কুলপাড়ার নুর ইসলামের স্ত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ভুয়া কাবিন নামা করে বিয়ের কথা বলে ৩ বছর যাবৎ অবৈধভাবে মেলামেশা করে আসছে। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, বটতৈল মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পল্লী চিকিৎসক ডাঃ মিজানুর রহমান বাদীর স্বামীর অসুস্থ্যতার কথা বলে তার বাড়িতে নিয়মিত আসা যাওয়া করে। চিকিৎসার এক পর্যায়ে সে জানায় তার স্বামী আর কোন দিন ভাল হবে না, তুই আমাকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু কর। তার এ সব কথায় রাজি না হাওয়ায় সে জানায় ঢাকা থেকে একজন ভাল ডাক্তার এসেছে তার কাছ থেকে ঔষধ খেলে রোগ ভাল হয়ে যাবে। তাই এখনই যেতে হবে ডাক্তার কাল সকালে চলে যাবেন। তুমি আমার সাথে চল ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। স্বামী ভাল হয়ে যাবে মর্মে বাদী লম্পট মিজানুরের মোটরসাইকেল যোগে কুষ্টিয়ার দিকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে মোবাইলে একজনের সাথে কথা বলে সে জানায় চিকিৎসক পাবনায় গেছেন তোমাকে সেখানে যেতে হবে। মোটরসাইকেল থেকে নামতে নিষেধ করে। এর পর ভেড়ামারা পৌছানোর পর রাত হয়ে যায়। সেখান থেকে নৌকায় বাদীকে জোরপূর্বক ভয়দেখিয়ে নৌকায় করে নদীর ওপারে পাবনায় নিয়ে যায় লম্পট মিজান। একটি অজ্ঞাত স্থানে এসে একজন দাড়ি ও পানজাবী পড়া লোক এসে তাকে একটি কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। মিজান বলে এখন থেকে তুমি আমার স্ত্রী। সেখানে জোরকরে নতুন কাপড় পড়ানো হয় বাদীকে। পড়ে ওই রাতেই তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। এভাবে দুইদিন থাকার পর তাকে নিয়ে কুষ্টিয়ায় আনা হয়। কুষ্টিয়ায় এসে লম্পট মিজান জানায় তার স্ত্রী-সন্তান আছে তাই তাদের আগে আলাদা করে দিই তারপর তোমাকে ঘরে তুলব এর মধ্যে তুমি কোন কথা কারোর বলবা না। বাদী তার স্ত্রীর মর্যাদার জন্য স্বামীর কাছে যেতে চাইলে সে বলে আর কিছু দিন পর। এভাবে ৩ বছর কেটে গেলেও সে বাদীকে ঘরে তুলে নেয়নি। এদিকে তার পেটে বাচ্চা চলে আসলে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী দিয়ে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে বাচ্চাটা নষ্ট করে ফেলা হয়। স্বামীর মর্যাদা ও সম্মানের সাথে বাচতে নির্যাতিত মেয়েটি বিচার চেয়ে বটতৈল ইউপি চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ ব্যাপারে নুরজাহান ওরফে ছবেলা জানান, সে সকলের কাছে লম্পট মিজানের বিচার দাবী করেছে। এভাবে আর কত সংসার নষ্ট করবে সে। তার দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেছে। এ ব্যাপারে বটতৈল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পল্লী চিকিৎসক ডাঃ মিজান জানান, তাকে চক্রান্ত করে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। বটতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ মোমিন মন্ডল জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এলাকাবাসীর দাবী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার এ ধরলের লম্পটদের যেন জায়গা না দেয় সেটাই সকলের কামনা।

[metaslider id=289]

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category