,

নিরাপদ ফসল উৎপাদনে আইপিএম পদ্ধতির বিকল্প নেই


জাহিদ হাসান:

কুষ্টিয়ার মিরপুরে নিরাপদ উপায়ে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে কৃষক মাঠ স্কুলে চার মাস ব্যাপি প্রশিক্ষণ শেষে এক মাঠ দিবস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সাথে প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদপত্র ও নগদ আর্থিক সহায়তা করা হয়।
বুধবার বিকেলে উপজেলার ফুলবাড়ীয়া কৃষক মাঠ স্কুলে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনায় সভায় মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রমেশ চন্দ্র ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শ্যামল কুমার বিশ্বাস।
এসময় তিনি বলেন, আইপিএম বা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা বলতে পরিবেশকে দুষণমুক্ত রেখে প্রয়োজনে এক বা একাধিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকারক পোকা ও রোগ বালাইকে অর্থনৈতিক ক্ষতি সীমার নিচে রাখাকে বুঝায়, যাতে করে পরিবেশ দূষিত না হয়। এর মধ্যে রয়েছে উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণ, বালাই সহনশীল জাত ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহার এবং সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে বালাই নাশকের সময়োচিত ও যুক্তি সঙ্গত ব্যবহারকে নিশ্চিত করে। নিরাপদ ফসল উৎপাদনে আইপিএম পদ্ধতির বিকল্প নেই। আই পি এম গ্রহনের ফলে উপকারী পোকা মাকড়, মাছ, ব্যাঙ, পশু, পাখি ও গুই সাপ প্রভৃতি সংরক্ষণ করা যায়। বালাইনাশকের পরবর্তী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রোধ করা সম্ভব হয়। এতে করে বালাইনাশক জনিত দুর্ঘটনা সহজেই এড়ানো যায়। সর্বোপরি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং দুষণমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষিবিদ কুমার প্রামানিক, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, আব্দুল মালেক, মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।
কৃষক মাঠ স্কুলে নিরাপদ উপায়ে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ২৫ জন কৃষক/কৃষাণীকে চার মাস ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণকালে ফসলের জৈবিক ব্যবস্থাপনা, বালাই সহনশীল জাতের চাষ, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, যান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা, বালাইনাশকের যুক্তি সংগত ব্যবহার বিষয়য়ের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মাঠ দিবস অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ ও টোকেন হিসাবে প্রতিজনকে দুুই হাজার আটশত টাকা করে প্রদান করা হয়।

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category