,

পদত্যাগ করলেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিয়ে সমালোচনা করে ই-মেইল ফাঁসের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত স্যার কিম ডারখ পদত্যাগ করেছেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে বলেছেন, স্যার কিমের এই সিদ্ধান্ত গভীর দুঃখের বিষয়। এর আগে স্যার কিম বলেছিলেন, তার জন্য এই দায়িত্ব পালন করে যাওয়া অসম্ভব।

তাকে পূর্ণ সমর্থন দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছেন টোরি নেতৃত্ব প্রত্যাশী প্রার্থী বরিস জনসন।

ট্রাম্প সোমবার বলেছেন, স্যার কিমের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে বোঝাপড়ায় যাবে না যুক্তরাষ্ট্র।

ট্রাম্প প্রশাসনকে ‘অদ্ভুত ও নিষ্ক্রিয়’ উল্লেখ করে স্যার কিমের ই-মেইল প্রকাশ পাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাকে একজন মূর্খ ব্যক্তি বলে মন্তব্য করেছেন।

পররাষ্ট্র দফতরে দেয়া এক চিঠিতে স্যার কিম বলেন, তার অবস্থান নিয়ে বিতর্ক শেষ করতে চেয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, আমি যেভাবে দায়িত্ব পালন করতে পছন্দ করি বর্তমান অবস্থায় সেটি সম্ভব নয়।

স্যার কিমের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত তার পক্ষে ব্যাপক সমর্থন তৈরি করলেও টোরি নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

হোয়াইট হলের সূত্র মতে, মঙ্গলবার রাতে টোরি নেতৃত্ব নিয়ে অনুষ্ঠিত বিতর্কে জনসন স্যার কিমকে সমর্থন দিতে অসম্মতি জানানোর পর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি। জনসনকে আরেক প্রার্থী জেরেমি হান্ট বারবার প্রশ্ন করেন, প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি স্যার কিমকে স্বপদে বহাল রাখবেন কিনা। তবে এ প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি তিনি।

তবে এটা স্পষ্ট যে, জনসন বুধবার বিকেলে স্যার কিমের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। জনসনের কাছের এক সূত্র জানায়, স্যার কিমের অবদান ও কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেছেন জনসন এবং দাবি করেন যে দুইজনের এই আলাপ উষ্ণ ও আন্তরিক ছিল।

স্যার কিমের পদত্যাগের পর মিস্টার জনসন বলেন, তিনি ছিলেন একজন চমৎকার কূটনীতিক এবং ই-মেইল যেই ফাঁস করে থাকুক না কেন সে ব্রিটিশ সরকারি কর্মকর্তাদের চরম ক্ষতিসাধন করেছে।

স্যার কিমের প্রতি তিনি কেন আরো বেশি সমর্থন দেননি এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক পরিধিতে টেনে আনা ঠিক নয়। সূত্র: বিবিসি

Facebooktwitterlinkedinyoutube
Facebooktwitterredditpinterestlinkedin


     More News Of This Category